• শনিবার, ০৬ জুন ২০২০
  • রাত ৩:৪৬

যে খাবারগুলো ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়

যে খাবারগুলো ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়
করোনায় লকডাউন পরিস্থিতিতে সবার মধ্যে এমন এক ধরণের আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে যে সবাই যেভাবে পারছেন ঘরে খাদ্যসামগ্রী মজুত করছেন বা করার চেষ্টা করছেন।

যদিও, এখনও রান্নার প্রয়োজনীয় উপকরণ সহজেই মিলছে। তবুও বেশিরভাগ লোক ভয়েই প্রচুর খাবার জমাচ্ছেন ফ্রিজে।। কিন্তু জানেন কি, শুকনো ফল, আইসক্রিম এবং মটরশুঁটি ছাড়া অন্য অনেক খাবার ফ্রিজে রাখা ভালো নয়। এগুলি বারেবারে ফ্রিজ থেকে বের করলে নষ্ট হয়ে যায় এর খাদ্যগুণ।

যে খাবারগুলো ফ্রিজে রাখবেন না-

দুগ্ধজাত দ্রব্য
দুধ হলো প্রথম জিনিস যা আমরা মজুত করতে চাই। কার্টনে দুধ রাখা যেতেই পারে ফ্রিজে। কিন্তু কার্টন খুললেই নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তেমনি পনিরও ক্রমাগত ফ্রিজে রাখলে আর বের করলে একসময় খাদ্যগুণ হারায়।

ভাজা পোড়া
আমরা ফ্রাই, পকোড়া এবং নাগেটসের মতো ভাজা খাবার পছন্দ করি। কিন্তু এই ভাজা খাবারগুলো ফ্রিজে রাখলে খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়। যা শরীরের পক্ষে বিষ। তাই ঘুরে ফিরে খেতে চাইলে গরমাগরম ভেজে খান।

নুডলস
রান্না করা বা না রান্না করা নুডলস এবং পাস্তা ফ্রিজে ভাল থাকে না। এটি ডিফ্রস্ট করার পরে মুশকিল হয়ে। প্যাকেট কিনে এমনিই রাখুন। ভালো থাকবে।

শসা
বরফ ঠাণ্ডা শসার টুকরো কেবল চোখের জন্য ব্যবহার করুন। খাবার হিসেবে নয়। ঠাণ্ডা শসা ফ্রিজের বাইরে আনলেই স্বাদ বদলে যায়। এই শসার স্যালাড খাওয়া শরীরের জন্যও ঠিক নয়।

ফল
কেবল শুকনো ফল ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করা নিরাপদ, তাজা ফল নয়। এগুলিকে হিমায়িত করার ফলে তাদের গঠন, স্বাদে পরিবর্তন আসে। পুষ্টির মান হ্রাস পায়।

কফি
কফি বীজ বা গুঁড়ো ফ্রিজে রাখলেই তা ফ্রিজারের গন্ধ ধরে নেয়। স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়ে। স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। কেবল কফি ব্যাগ বা প্যাকেট কয়েক সপ্তাহ ধরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

টমেটো সস
স্যান্ডউইচ, চিপস, স্ন্যাকস টমেটো সস ছাড়া খাওয়া যায়! তবে ভুলেও এটি ফ্রিজে রেখে দেওয়ার পরিকল্পনা করবেন না। এটি ডিফ্রস্ট করার পরে টমেটো পেস্ট, জল এবং ভিনিগার আলাদা হয়ে যায়।

রসুন
গোটা রসুন ফ্রিজে রাখা অস্বাস্থ্যকর। রসুনের কোয়া অত্যাধিক ঠান্ডায় শুকোতে থাকে। এর ভিতরে যে রস থাকে তা শুকিয়ে যায়। সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ ঘণ্টা গোটা রসুন ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। তবে, রসুনের পেস্ট ১০ থেকে ১৫ দিন ফ্রিজে স্টোর করা যায়।

কলা
ফ্রিজে রাখলে কলা একদিকে যেমন তার পরিপক্কতা হারায়, সেইসঙ্গে স্বাভাবিক গুণাবলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ কলা নিজেই একটা ঠান্ডা ফল। সেইসঙ্গে বাড়তি ঠান্ডায় রাখলে কলার মধ্যে থাকা পটাসিয়াম কনটেন্টও কমে যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ১৮ই এপ্রিল, ২০২০
আপডেটঃ শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ০৬:৫৮


সর্বশেষ

আরও পড়ুন