চাকুরিচ্যুত দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনকে রিট করার পরামর্শ দিলো হাইকোর্ট। চাকরি চলে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখতে ১০ আইনজীবীর চিঠি আমলে নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানায় হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২২শে ফেব্রুয়ারি) সকালে বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদারের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
পরে দুদকের আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, শরীফ যদি সত্যিকারের ভুক্তভোগী হয়, তাহলে রিট আকারে আসতে হবে তাকে। তখন আইন অনুযায়ী যা হবার হবে। রিট শোনার পর হাইকোর্ট আদেশ দেয়ার কথাও বলেন তিনি।
এর আগে রবিবার দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে অপসারণের কারণ খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টকে চিঠি দেন ১০ আইনজীবী। দুদকের মামলা বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন বেঞ্চ ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, 'আদালত বললেন আপনারা রিট পিটিশন নিয়া আসেন আমরা শুনবো কিন্তু এটা আমরা শুনবো না। আমি বললাম মাননীয় আদালত তাহলে এই আবেদনের স্ট্যাটাসটা কি? তখন আদালত বললেন টেকভেট। শিশির মনির বললেন এটা আদালতের কাছেই থাক, তখন আদালতও বললেন ঠিক আছে এটা আমাদের কাছেই থাক।'
এর আগে, দুদকের উপসহকারী পরিচালক শরিফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণের প্রজ্ঞাপন বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে যোগ দিয়ে দুদক কর্মকর্তারা জানান, স্বাধীন সংস্থা হলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। যার বলি হয়েছেন শরীফ উদ্দীন।