• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • রাত ৮:২০

শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত ১২ উড়োজাহাজ: নিলাম নিয়ে বিভ্রাট

শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা উড়োজাহাজের নিলাম নিয়ে বিভ্রাটে সিভিল এভিয়েশন।

শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা বেসরকারি বিমানসংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৮টি উড়োজাহাজের মালিক দেশের দেড় লাখ শেয়ারহোল্ডার। আর পর্ষদ পুনর্গঠন করে আবার ফ্লাইট চালানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আর উড়োজাহাজের ক্রেতা পেলেও সিভিল এভিয়েশনের সাড়া না পেয়ে বিক্রি করতে পারছে না রিজেন্ট এয়ারওয়েজের দুটি উড়োজাহাজ। তবে উড়োজাহাজগুলোর নিলামে তোলার ঘোষণা কতটা কার্যকর করতে পারবে সিভিল এভিয়েশন?

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ১২টি উড়োজাহাজ। এগুলোর আটটি ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের, একটি জিএমজি এয়ারলাইন্সের, দুটি রিজেন্ট এয়ারওয়েজের আরেকটি অ্যাভিয়েনা এয়ারলাইন্সের। সবগুলোই বন্ধ হয়ে যাওয়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরের কাছে নানারকম বকেয়া রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর। কয়েকদফা নোটিশ দেয়ার পরও কোন সাড়া না পেয়ে নিলামের ঘোষণাও দেয়া হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল আহসান বলেন, তারা আমাদের এখনো কোন সদুত্তর বা সাড়া প্রদান করেননি। আমরা নিলামের প্রক্রিয়া শুরুর পূর্বে আবার তাদের নোটিশ দিব। তখনও যদি কোন সাড়া না দেয় আমরা আমাদের কমিটির মাধ্যমে কার্যবিধি অনুযায়ি নিলাম প্রক্রিয়ায় চলে যাব।

তবে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন হওয়া ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা আবার ফ্লাইট চালু করতে চায়। দেনা শোধ করতেও আপত্তি নেই তাদের।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, এটার মালিক কিন্তু শুধু আমরা না। এক লক্ষ ৬০ হাজার যে শেয়ার হোল্ডার আছে তারাই মূলত এই জিনিসগুলোর মালিক। আমরা মনে করি না সিভিল এভিয়েশন এখনও ওইরকম কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের কাছে কোন কাগজও আসে নাই।

তাদের দাবি, উড়োজাহাজগুলো পরিদর্শন এবং অডিটের অনুমতি চাওয়া হয়েছে, কিন্তু সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সাড়া মেলেনি।

আর রিজেন্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, ইতিমধ্যেই তাদের দুটি উড়োজাহাজের দাম ঠিক হয়ে গেছে। বিস্তারিত সিভিল এভিয়েশনকে জানানোর পরেও কোন কাজ হয়নি। শর্ত না মেনে নিলাম করলেই আইনি ব্যবস্থা নেবে তারা।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিষ রায় চৌধুরী বলেন, তারা যদি নিলাম করতে চায় তাহলে আমাদের যে দেনাটা আছে সেটার মূল্য ধরে করুক। যদি তারা মনে করে যে এটা শেয়ার দর হিসেবে বিক্রি করবে সেটা তাদের পক্ষে সম্ভব না এবং করা উচিতও হবে না। যদি তারা এই পদ্ধতিতে যায় তাহলে অনেক এয়ারলাইন্স কোম্পানী তাদের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে।

জানা গেছে, বেসরকারি আরেক বিমান সংস্থা জিএমজির উড়োজাহাজটিরও ক্রেতা পাওয়া গেছে।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ২৭শে জুলাই, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন