• শনিবার, ১৫ মে ২০২১
  • রাত ১০:৫৭

শেরপুরে গাজর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষক

কম খরচে ও স্বল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় শেরপুরে বাড়ছে গাজরের চাষ। বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় জেলার নকলাসহ অন্যান্য উপজেলায় গাজর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষক।

কৃষি বিভাগ বলছে, গাজরসহ বহুমুখী ফসল আবাদে চাষিদের দেয়া হচ্ছে সহায়তা।   

কিছুদিন আগেও গাজর চাষে আগ্রহ ছিলো না শেরপুরের চাষিদের। তবে, অল্প শ্রমে বেশি উৎপাদনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়ায় এখন ধীরে ধীরে গাজর চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার কৃষক।  

নকলা উপজেলায় প্রথমবারের মতো ৩৫ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল মোতালেব। তার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টাকা।  ফলনও হয়েছে ভালো।  

জমি থেকে ৬০ থেকে ৭০ মণ গাজর তুলতে পারবেন বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ৬শ থেকে ৮শ টাকায়। 

গাজরচাষী আব্দুল মোতালেব বলেন, কীটনাশক লাগছে না, "কীটনাশক ছাড়া খালি জৈব সার দিয়ে এই গাজর চাষ করা হয়েছে। গাজরের জাতটাও খুব ভালো খাইতেও খুব মজা। যদি লাভ হয় তাহলে আগামীতে আরো গাজর চাষ করার ইচ্ছে আছে।"

এলাকার অন্য চাষীরা বলেন, 'নকলাতে এত গাজর চাষ হয় না। এবারই প্রথম এত ভালো গাজর হয়েছে। ধানের চাইতে ফলন ভালো খরচও কম। দাম ভালো পাইলে আশা করি আগামীতে আমরাও করবো।'  

নকলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, 'বহুমুখী ফসল আবাদের লক্ষ্যে গাজর চাষে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করতে সহায়তা করা হচ্ছে। কৃষকরাও এ ব্যাপারে খুব খুশি। এবং তারা এ কাজে উৎসাহিত হচ্ছেন। আমাদের কৃষিকে বানিজ্যিক ক্রষিতে রুপান্তরিত করতে চাই।'

নকলা উপজেলাসহ জেলায় এবার গাজরের আবাদ হয়েছে ১৬৫ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত গাজর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ৩০শে মার্চ, ২০২১


সর্বশেষ

আরও পড়ুন