• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
  • সকাল ৬:২৩

‘গুজবে’ ৪০ কেজি লবণ কিনতে গেলেন গৃহিণী

‘গুজবে’ ৪০ কেজি লবণ কিনতে গেলেন গৃহিণী
পেঁয়াজের বাজারের পর এবার অস্থিরতা দেখা দিয়েছে লবণের বাজারে। লবণ সংকট তৈরি হবে এমন গুজবে মঙ্গলবার নওগাঁর বিভিন্ন বাজারে লবণ কেনার হিড়িক পড়ে যায়। এই সুযোগে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বাড়িয়ে দিয়েছেন লবণের বাজার।

মঙ্গলবার বিকেলে, মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মাতাজি রোড মেসার্স কুদ্দুস নামে একটি পাইকারি লবণের দোকানে লবণ কিনতে আসেন শাপলা খাতুন নামে এক গৃহিনী। তিনি বাড়িতে খাওয়ার জন্য এক বস্তা (৪০ কেজি) লবণ কিনতে আসেন ওই দোকানে। খাওয়ার জন্য এত লবণ কিনতে চান কেন? এমন প্রশ্ন করলে ওই গৃহিণী বলেন, 'যদি পেঁয়াজের মত লবণের দাম বেড়ে যায় এই ভয়ে লবণ কিনে রাখছি। এখনতো প্রতি বস্তা লবণ ৪০০ টাকা বেশি নিচ্ছে। ভবিষ্যতে যদি আরও বেড়ে যায়।'

বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে একদিনের ব্যবধানে, লবণ কেজিতে খোলা ২০ থেকে ২৫ টাকা আর প্যাকেজ ৪০ থেকে ৬০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। এদিকে, বেশি দামে লবণ বিক্রি করার অভিযোগে মহাদেবপুর উপজেলা সদর বাজারের এক পাইকারি লবণ বিক্রিতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নওগাঁ শহরের পৌর বাজার ও মুক্তির মোড় বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, পাইকারি ও খুচরা বিক্রিতার দোকানে লবণ কিনতে ভিড় জমান ক্রেতারা। পাইকারিতে প্রতি বস্তা (৪০ কেজি) খোলা লবণ ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। আর, খোলা লবণ খুচরা কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দাম ও বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেটজাত লবণ ৮০ থেকে ১২০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। অথচ, একদিন আগেও কেজিতে খোলা লবণের দাম ছিল ১২ টাকা আর প্যাকেটজাত লবণের দাম ছিল ৩৫ টাকা কেজি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে লবণের সরবরাহ কমে গেছে, অথচ চাহিদা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ বেশি। লবণ সংকট সৃষ্টি হবে এমন আতঙ্কে অনেক ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বেশি করে লবণ ক্রয় করছেন। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি হওয়ায় লবণের দাম বেড়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, লবণের দাম বেড়ে যাবে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় লবণের বাজারে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। লবণের দাম বাড়ার কোন কারণ নেই। লোকজনকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ডেস্ক
ডিবিসি নিউজ
প্রকাশিতঃ ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯
আপডেটঃ বুধবার, ১১ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৪


সর্বশেষ

ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণঃ

আরও পড়ুন