বাংলাদেশ, সারা বাংলা
বাংলাবান্ধা সীমান্তে এক বাংলাদেশিকে নির্যাতন বিএসএফের

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের বিরুদ্ধে এবার কিরণ (৪৫) নামে এক বাংলাদেশিকে মারধর করে হাত পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ। সোমবার (৮ই জুলাই) সকালে আহত কিরণকে উদ্ধার করে প্রথমে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে বিজিবি। পরে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বর্তমানে তিনি হাসপাতালে রক্তাক্ত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন।
সোমবার ভোরে তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরসংলগ্ন সীমান্তের ৭৩২ নম্বর মেইন পিলারের ৫ নম্বর সাবপিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সকাল ৮টার দিকে বাংলাদেশের সীমান্তে রক্তাক্ত অবস্থায় কিরণকে পড়ে থাকতে দেখে বিজিবির বাংলাবান্ধা বিওপির সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর আহত কিরণ বলেন, বিএসএফ আমাকে ধরে তিন ঘণ্টা মারধর করে সীমান্তে ফেলে যায়। পরে বিজিবি সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করেন।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফজলে রাব্বি বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে বিএসএফ ব্যাপক মারধর করেন। বিজিবির মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রহিমুল ইসলাম বলেন, ‘তাকে তেঁতুলিয়া থেকে এখানে রেফার করা হয়েছিল। তার হাত মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাতে ফ্র্যাকচার করতে হতে পারে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরে পাঠানো হয়েছে।’
পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জিয়াউল হক বলেন, ‘বিজিবি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এনিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের জন্য আহ্বান করা হয়েছে।’
নির্যাতনের শিকার কিরণ নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লার বাপ্পী চত্বর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আবদুল মান্নান বলে জানা গেছে।
ডিবিসি/ এসএইচ