সারা বাংলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কেল্লা বাবার মাজারের দানবাক্সে ১২ বস্তায় মিলল কোটি টাকার বেশি!

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

বুধবার ১৯শে আগস্ট ২০২৬ ০১:০৮:০৮ অপরাহ্ন
Facebook NewswhatsappInstagram NewsGoogle NewsYoutube

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের ওরসে স্থাপন করা চারটি দানবাক্স থেকে ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। গণনা শেষে এসব দানবাক্সে নগদ ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া যায়। নগদ অর্থের পাশাপাশি দান হিসেবে মিলেছে সোনা-রুপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রাও।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর রাত পর্যন্ত দানবাক্সগুলো খুলে টাকা গণনার কাজ চলে। সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরীফ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী টাকা গণনায় অংশ নেন।

 

মাজার পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানা গেছে, দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা ওরস চলাকালে চারটি দানবাক্সে নগদ টাকা ছাড়াও সোনা, রুপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা দান করেন। এসব সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে।

 

এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

 

কেল্লা বাবার মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট সোমবার থেকে আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রবিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আগত মাজারের ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ টাকা, সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন।

 

মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রারও হিসাব করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব-নিকাশ শেষে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের বিষয়টি জানানো হবে।
 

ডিবিসি/এফএইচআর

আরও পড়ুন