ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

সারা বাংলা

ময়মনসিংহে থানায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি পৌর বিএনপি নেতা

ময়মনসিংহে থানায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি পৌর বিএনপি নেতা

সারা বাংলা

ময়মনসিংহে থানায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, প্রধান আসামি পৌর বিএনপি নেতা

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে প্রবেশকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতার সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা হলে ওই নেতার সঙ্গে আসা লোকজন থানার প্রধান ফটক ও পাশের ট্রাফিক বক্সে ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপি নেতা আরিফ রব্বানী টুটুল মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।

পুলিশ জানায়, আরিফ রব্বানী থানায় গিয়ে ওসির কক্ষে প্রবেশ করতে চাইলে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মো. বকুল মিয়া তাকে জানান, ওসি ও অন্য কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে রয়েছেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হলে ওই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ওসি ও অন্য কর্মকর্তারা বের হয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওসির সঙ্গেও তার বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।


মুক্তাগাছা থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম বলেন, যুবদল কর্মী সুমন, আদিলসহ কয়েকজন আরিফ রব্বানীকে বুঝিয়ে থানার বাইরে নিয়ে যান। এ সময় কারও সঙ্গে ধস্তাধস্তি বা গায়ে হাত দেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।


ওসি আরও বলেন, রাত ১০টার আগে থানার বাইরে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে থানার দিকে আসছে। তাদের পেছনে আরিফ রব্বানীও ছিলেন। পরে কয়েকজন থানার প্রধান ফটকে ভাঙচুর করেন। পাশের ট্রাফিক বক্সেও আঘাত করা হয়। এতে কয়েকটি কাচ ভেঙে যায় এবং ফটকের রড বাঁকা হয়ে যায়।


পুলিশের দাবি, এ সময় আশপাশের বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। পুলিশ সদস্যরা গেটের কাছে গেলে ভাঙচুরকারীরা সেখান থেকে চলে যান।


অভিযোগের বিষয়ে জানতে আরিফ রব্বানীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।


এ ঘটনায় সাব-ইন্সপেক্টর মিঠু মিয়া বাদী হয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অজ্ঞাত লোকজনসহ ১১ জনের নামে মামলা দায়ের করেন।


মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, আরিফ রব্বানী থানায় কোনো অভিযোগ দিতে গিয়েছিলেন বলে তিনি শুনেছেন। ওসির কক্ষে প্রবেশের সময় পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। পরে খবর পেয়ে এলাকার কিছু লোক থানায় এসেছিলেন। তবে থানায় ভাঙচুরের ঘটনা তিনি নিজে দেখেননি।


উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান রতন বলেন, থানায় হামলার ঘটনা সম্পর্কে তিনি জানেন না। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


থানায় হামলার ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, বিএনপি নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করাসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ডিবিসি/ এসভিএন

আরও পড়ুন