ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

শিক্ষা

পাঠ্যবই মুদ্রণে অনিয়ম রুখতে মাঠে ৫৩টি মনিটরিং টিম

পাঠ্যবই মুদ্রণে অনিয়ম রুখতে মাঠে ৫৩টি মনিটরিং টিম

শিক্ষা

পাঠ্যবই মুদ্রণে অনিয়ম রুখতে মাঠে ৫৩টি মনিটরিং টিম

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই দেশের প্রায় ৪ কোটি শিক্ষার্থীর হাতে পরিমার্জিত ও মানসম্মত পাঠ্যবই তুলে দিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় শতভাগ নিখুঁত বই সরবরাহ নিশ্চিত করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মুদ্রণ ও সরবরাহের প্রতিটি ধাপে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে।

বইয়ের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে মোট ৫৩টি মনিটরিং দল সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছে। কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে মানদণ্ড পূরণ না করায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রেসের প্রায় সাড়ে চার লাখ ছাপানো ফর্মা এবং ২৭ হাজার নিম্নমানের বই বাতিল করে বিনষ্ট করা হয়েছে। এবার শুধু মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানই নয়, মাঠপর্যায়ে নিম্নমানের বই গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট গ্রহীতা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদেরও শাস্তির আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

 

এনসিটিবির উৎপাদন প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন শিক্ষাবর্ষে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীসহ সব স্তর মিলিয়ে মোট ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি বই ছাপানো হচ্ছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিকের ৭৪.৪৫ শতাংশ, প্রাথমিকের ৩৬.৯৬ শতাংশ এবং মাধ্যমিক স্তরের ৭ শতাংশ বইয়ের মুদ্রণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাঞ্ছারামপুর ও সরাইলসহ কয়েকটি উপজেলায় বই সরবরাহ শুরু হয়েছে। কাগজের জিএসএম ও প্রিন্টিং মান যাচাইয়ে পিডিআই এজেন্সির পাশাপাশি বিসিএসআইআর-এ ল্যাব টেস্টও করা হচ্ছে, যার ফলাফল এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক।

 

এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মাদ গোলাম ফখরুল মাওলা এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কম মূল্যের অজুহাতে কাউকে নিম্নমানের বই তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই সরবরাহে ব্যর্থ হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

 

সরকারের নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন ক্লাসের পুরো সেট নিখুঁত বই তুলে দিতে নিরলসভাবে কাজ চলছে।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন