ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

সারা বাংলা

মঙ্গোলিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, শেরপুরে গ্রেপ্তার ১

মঙ্গোলিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, শেরপুরে গ্রেপ্তার ১

সারা বাংলা

মঙ্গোলিয়ায় পাঠানোর প্রলোভনে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, শেরপুরে গ্রেপ্তার ১

এস এম জুবায়ের, শেরপুর প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে মঙ্গোলিয়ায় পাঠানোর কথা বলে তিনজনের কাছ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় খাইরুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান অন্য আসামি শেখ ফরিদ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার মো. লিয়াকত আলীর ছেলে আসাদুল এবং তার ভাতিজা খোরশেদ আলম ও আতিকুলকে মঙ্গোলিয়ায় পাঠানোর কথা বলে উপজেলার পাঁচগাঁও এলাকার বাসিন্দা শেখ ফরিদ ও খাইরুল ইসলাম প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর দ্রুত বিদেশে পাঠানোর কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তারা সময়ক্ষেপণ শুরু করেন।

 

টাকা ফেরত চাইলেও আসামিরা বিভিন্ন অজুহাত দেখাতে থাকেন। গত ২০ এপ্রিল বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে তারা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের একটি ৩০ লাখ টাকার চেক দেন। লিয়াকত আলী সেই চেকটি সোনালী ব্যাংক নালিতাবাড়ী শাখার হিসাবে জমা দিলেও স্বাক্ষর মিল না থাকায় ২৬ এপ্রিল চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। এরপর ৪ মে আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

 

এ ঘটনায় লিয়াকত আলী নালিতাবাড়ীর সি.আর আমলি আদালতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

পুলিশ গত ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। অন্য আসামি শেখ ফরিদ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।

 

বাদী লিয়াকত আলী বলেন, ‘ছেলে ও ভাতিজাদের বিদেশে নেওয়ার জন্য ৩০ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। বিদেশে পাঠাতে পারেনি। প্রায় এক বছর ধরে টাকাও ফেরত দিচ্ছে না। কল করলেও রিসিভ করে না।’

 

ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম ও আতিকুল জানান, তারা আইনি সহায়তার মাধ্যমে টাকা ফেরত চান।

 

স্থানীয়দের দাবি, শেখ ফরিদ ও খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতসহ অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

 

এ ঘটনায় আসামি শেখ ফরিদ পলাতক এবং খাইরুল ইসলাম কারাগারে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

 

ডিবিসি/এসডব্লিউএন

আরও পড়ুন