আন্তর্জাতিক, আরব
ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্টকে ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘে বক্তব্য দেবেন ভিডিওতে

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সশরীর উপস্থিত থাকতে পারছেন না ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। জাতিসংঘের অনুমতি অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তার বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
সাধারণ পরিষদে ১৫২ ভোটে আব্বাসের ভার্চুয়াল বক্তব্যের অনুমতি দেওয়া হয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে তিনটি; চারটি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
ট্রাম্প প্রশাসন আব্বাস ও ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিউইয়র্কে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা পরিচালনাসহ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কিছু পদক্ষেপ শান্তিপ্রক্রিয়ার পরিপন্থী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করে বলেছে, এমন নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাকে দুর্বল করে।
একই অধিবেশনে যোগ দিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের প্রতিনিধিদলের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের প্রতিনিধিদের আলোচনা হয়েছে। অধিবেশনের ফাকে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আরাগচির বৈঠকের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
ফিলিস্তিনি নেতাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের এই পার্থক্য ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে গাজা নিয়ে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় সংস্কার সম্পন্ন হলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আবার শাসনভার গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। সেই সম্ভাব্য ভূমিকা সত্ত্বেও আব্বাসের সরাসরি আলোচনার সুযোগ এবার সীমিত হয়ে পড়ল।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুরও সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
ডিবিসি/এসএফএল