জাতীয়
বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মন্ত্রী সাচিং প্রু

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেছেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিসত্তার সমন্বয়ে একটি বৈষম্যহীন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারে ‘রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’-এর ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সম্মাননা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বা রংধনু জাতির মূল দর্শন হলো সব সম্প্রদায়ের মানুষ একে অপরের সঙ্গে মেলবন্ধন ও সহমর্মিতা বজায় রেখে বৈষম্যহীন একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। আন্তঃসম্পর্ক উন্নয়ন, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, শ্রদ্ধা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
পার্বত্য অঞ্চল ও কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে আরও পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন করতে হবে। এজন্য পার্বত্য চট্টগ্রামসহ পুরো কক্সবাজারকে মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, রাখাইন সম্প্রদায় নিজেদের পথরেখা তৈরি করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাদের কর্ম ও অর্জন জাতির সামনে তুলে ধরারও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রথিতযশা চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সিভিল ও পুলিশ ক্যাডারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ৩৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে (জীবিত ও মরণোত্তর) সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী রাখাইন শিল্পীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (কেন্দ্রীয় কমিটি) সভাপতি মং হলা চিংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না।
ডিবিসি/এমএনকে