ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

আন্তর্জাতিক

পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার হুমকি বেন-গভিরের

পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার হুমকি বেন-গভিরের

আন্তর্জাতিক

পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার হুমকি বেন-গভিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে

ইসরায়েলের পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেলে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা এবং গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির কট্টরপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি এই হুমকি দেন।

এক্সে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছেন বেন-গভির। সেখানে দেখা যায়, ১৯৯৬ সাল থেকে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা ফিলিস্তিনি নাগরিক হাসান সালামেহর সেলের ভেতরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। ভিডিওতে সালামেহকে উদ্দেশ্য করে বেন-গভিরকে সরাসরি বলতে শোনা যায়, ‘আমি তোমাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে চাই।’


ভিডিওর সাথে দেওয়া পোস্টে বেন-গভির লেখেন, তাকে যদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ করা হয়, তবে সালামেহর মতো বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন। একই সঙ্গে গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছা অভিবাসন’ প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে নেবেন। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যতে কোনো জোট সরকারে যোগ দেয়ার শর্ত হিসেবে তার দল ‘জিউশ পাওয়ার’ প্রতিরক্ষা এবং বিচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দাবি করবে।


‘স্বেচ্ছা অভিবাসন’-এর নামে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদের স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করার পক্ষে বরাবরই কথা বলে আসছেন বেন-গভির। তবে ফিলিস্তিনি ও আরব দেশগুলো তার এমন প্রস্তাব শুরু থেকেই প্রত্যাখ্যান করে আসছে।


অন্যদিকে, কারাবন্দী হাসান সালামেহকে নব্বইয়ের দশকে চালানো বিভিন্ন হামলার অভিযোগে একাধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ইসরায়েলি আদালত। ইসরায়েলের দাবি, ওই সব হামলায় তাদের অন্তত কয়েক ডজন নাগরিক হতাহত হয়েছিল।


এর আগে গত মার্চ মাসে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’ বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার একটি বিল অনুমোদন করে। বেন-গভির এবং তার দল এই আইনটির কট্টর সমর্থক ছিল। ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর এমন আইনের প্রভাব নিয়ে সে সময় আরব ও আঞ্চলিক দেশগুলোতে ব্যাপক সমালোচনা ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। উল্লেখ্য, আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


সূত্র: আনাদোলু


ডিবিসি/ এসভিএন
 

আরও পড়ুন