ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

কৃষি

ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে আমড়ার ভাসমান হাট, বাড়ছে আবাদ

ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে আমড়ার ভাসমান হাট, বাড়ছে আবাদ

কৃষি

ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে আমড়ার ভাসমান হাট, বাড়ছে আবাদ

ডেস্ক নিউজ

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে

ঝালকাঠিতে জমে উঠেছে পুষ্টিকর ফল আমড়ার বাজার। বিশেষ করে ভিমরুলীর ভাসমান হাটে এখন তাজা আমড়ার ব্যাপক সমারোহ দেখা যাচ্ছে। অন্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভজনক হওয়ায় এই জেলায় দিন দিন আমড়ার চাষ বাড়ছে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলার চার উপজেলায় ৬০৫ হেক্টর জমিতে আমড়ার চাষ হয়েছে। মোট উৎপাদন হয়েছে ৪ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজারে এই আমড়ার মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। গত দুই বছরের ব্যবধানে জেলায় আমড়ার আবাদ ও উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

 

দেশজুড়ে বরিশাল অঞ্চলের সুস্বাদু এই আমড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন হাটে আমড়া কেনাবেচা হয়। এর মধ্যে ভিমরুলী গ্রামের ভাসমান হাটটি সবচেয়ে বড়। এখান থেকেই ঢাকাসহ সারা দেশে আমড়া সরবরাহ করা হয়। আকার ও রঙের ওপর ভিত্তি করে পাইকাররা চাষিদের কাছ থেকে প্রতি মণ আমড়া ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে কিনছেন।

 

অনিমেষ হালদার নামের এক আমড়া চাষি জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে আমড়ার চাষ করেছেন এবং এবার ফলন খুব ভালো হয়েছে। সব গাছ মিলে তিনি প্রায় ৬ লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, রোগবালাই ও বেশি শ্রমিক খরচের কারণে পেয়ারা চাষে এখন আর তেমন লাভ নেই। সে তুলনায় আমড়ার আবাদে খরচ কম এবং লাভ বেশি। স্বরূপকাঠির পাইকার নোমান খান জানান, পরিবহন ও শ্রমিকসহ সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মণ আমড়া ঢাকায় পাঠিয়ে তাদের ১০০ টাকার মতো লাভ থাকে।

 

ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় জেলায় আমড়ার আবাদ দিন দিন বাড়ছে। কৃষকদের রোগবালাই দমনসহ নানা বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের জন্য ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে আমড়া এখন এই এলাকার একটি অন্যতম অর্থকরী ফসলে পরিণত হয়েছে।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন