ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

বাংলাদেশ, সারা বাংলা

ভৈরবে সেতুর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে পড়ে আছে কোদালকাটি সেতু

ভৈরবে সেতুর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে পড়ে আছে কোদালকাটি সেতু

বাংলাদেশ, সারা বাংলা

ভৈরবে সেতুর কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে পড়ে আছে কোদালকাটি সেতু

ভৈরব প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রায় নয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কোদালকাটি সেতুটি চার বছরেও জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। নদীর ওপর মূল সেতুর কাজ প্রায় শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে। ফলে সরকারি বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন শ্রীনগর ও গজারিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল, সেতুটি চালু হলে দুই ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের দুর্ভোগ দূর হবে। কিন্তু সেতু দাঁড়িয়ে থাকলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও সেতুটি ব্যবহার করতে না পেরে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সেতু নির্মাণের আগেই সংযোগ সড়ক ও ভূমির জটিলতা দূর করা উচিত ছিল। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রীনগর ও গজারিয়া ইউনিয়নের যোগাযোগ সহজ করতে ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব ১০০ মিটার সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এর দরপত্র আহ্বান করা হয়। কাজটি পায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ। পরে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স মুমিনুল হক এন্টারপ্রাইজ সাব-কন্ট্রাক্টে নির্মাণকাজ শুরু করে। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্ভব হয়নি।

 

পরবর্তীতে দুই দফা সময় বাড়িয়ে সেতুর প্রায় ৯৮ শতাংশ কাজ শেষ করা হয়। তবে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি এখনও উন্মুক্ত করা যায়নি।

 

কাজের বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার মামুন মিয়া জানান, সেতুর দুই পাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলায় সংযোগ সড়কের কাজ আটকে ছিল। এই জটিলতা কাটলে বাকি কাজ শেষ করা হবে।

 

এদিকে উপজেলা প্রকৌশলী ইশতিয়াক আহমেদ জানান, সংযোগ সড়ক নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত বাকি কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হলেই সেতুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে, যা শ্রীনগর ও গজারিয়া ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করবে।

আরও পড়ুন