ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

বাংলাদেশ, জাতীয়

সকলের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

সকলের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ, জাতীয়

সকলের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে

ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় যেন মানুষের অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানোয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, সরকারের এই সাহসী ও জনবান্ধব সিদ্ধান্ত দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসবের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মতবিনিময়কালে দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। 

 

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং বলেন, সরকার সব সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে আন্তরিক। সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান করা হবে এবং যৌক্তিক দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।

 

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এবং কঠিন চীবর দান উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তিনি দেশের সব নাগরিকের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে তাদের ধর্মীয় উৎসবের শুভেচ্ছা জানান।

 

সভার শেষ পর্যায়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ৫ কোটি টাকা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দের চেক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গেছে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট দুর্গাপূজার জন্য ৪ কোটি টাকা অনুদান চাইলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় তা বাড়িয়ে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। 

 

অন্যদিকে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চাইলে তা বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকা করা হয়। বরাদ্দের এই অর্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

উক্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী ও মিস সুবর্ণা ঠাকুর শিকদার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়াসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন