ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

সারা বাংলা

পটুয়াখালীর ইপিজেডের সামনে থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালীর ইপিজেডের সামনে থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

সারা বাংলা

পটুয়াখালীর ইপিজেডের সামনে থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে

পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের দুই দিন পর শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিযাপুর ইউনিয়নের ইপিজেড ফটকসংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্বাস সিকদার আউলিযাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি পূর্বে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশায় যুক্ত ছিলেন না বলে জানা গেছে।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় সম্প্রতি একটি মারামারির ঘটনার পর থেকে গত দুই দিন ধরে আব্বাস বাড়িতে ছিলেন না। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক আব্বাসের চাচা শাহজালালকে মুঠোফোনে জানান, ইপিজেডের প্রধান ফটকের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। সংবাদ পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

আব্বাসের মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার। নিহতের বাবা রফিক সিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি এলাকায় মেম্বার পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে প্রচারণার পোস্টার দেওয়ার পর থেকেই একটি মহলের সাথে শত্রুতা বেড়ে যায়। সেই পূর্ববিরোধের জেরে আব্বাসের সাথেও তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।’

 

স্থানীয়দের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তাঁর মৃত্যু হতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন