ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

জাতীয়

সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

জাতীয়

সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

বাসস

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে

সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন ভুলে সবার একক পরিচয় হবে বাংলাদেশি এমন একটি রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ ও সরকারের কাছে দেশের প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, সমান নিরাপত্তা, সমান স্বাধীনতা এবং সমান মর্যাদা পাবেন। নাগরিকের এই অধিকার ও সম্মান নিশ্চিত করাই সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত মহালয়া ১৪৩৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শুভ মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, মহালয়া মানেই নতুন আশার আলো এবং অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির বিজয়। অন্ধকারকে পেছনে ফেলে সত্য, ন্যায় ও আলোর জয় নিশ্চিত করাই এই উৎসবের মূল বার্তা।

 

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বৈষম্য বা বিভেদের শিকার হতে হবে না। ধর্ম, বর্ণ, আদর্শ ও বিশ্বাসের ভিন্নতা ছাপিয়ে আমাদের একটাই পরিচয় হবে আমরা সবাই বাংলাদেশি। ভিন্নতা ও বৈচিত্র্যকে শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে বিদ্বেষের জায়গায় ভালোবাসা, বৈষম্যের জায়গায় ন্যায়বিচার এবং বিভাজনের জায়গায় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

 

পূজার ব্যবস্থাপনা ও সরকারি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘ সময় পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতি রেখে দুর্গাপূজার সরকারি ছুটিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে উৎসবের আনন্দ প্রতিটি মানুষের অন্তরে ছড়িয়ে পড়ে।

 

দেশের মানুষের ঐক্যই চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, জনগণের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং সার্বিক জনকল্যাণই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। আর সে কারণেই সরকারের মূল দর্শন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশকে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

এর আগে সকাল ৬টার দিকে মাহদী আমিন বনানী মাঠে পৌঁছালে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন। এরপর এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহা এবং সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় প্রমুখ।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন