ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যের ঘটনা

একসঙ্গে ৫টি চাকরি সামলাতে মেকআপ দিয়ে অসুস্থতার ভান করতেন সরকারি কর্মকর্তা

একসঙ্গে ৫টি চাকরি সামলাতে মেকআপ দিয়ে অসুস্থতার ভান করতেন সরকারি কর্মকর্তা
যুক্তরাজ্যের ঘটনা

একসঙ্গে ৫টি চাকরি সামলাতে মেকআপ দিয়ে অসুস্থতার ভান করতেন সরকারি কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে

যুক্তরাজ্যের এক সরকারি কর্মকর্তা মেকআপ দিয়ে অসুস্থ সেজে একসঙ্গে পাঁচটি পূর্ণকালীন চাকরি করেছেন বলে আদালতে অভিযোগ উঠেছে। কাশিম চৌধুরী নামের ওই ব্যক্তি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চাকরিগুলো করে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড আয় করেছেন।

জালিয়াতির ৯টি অভিযোগের মুখে পূর্ব লন্ডনের ৫৫ বছর বয়সী এই কর্মকর্তা এখন সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন, যদিও তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে কাজ করার সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


আদালতে বলা হয়, নিয়োগের সময় নিজের বর্তমান কর্মসংস্থান নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে তিনি কাজগুলো পেয়েছিলেন। তিন বছরের মধ্যে তিনি পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল, হোম অফিস, পরিবেশ, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক বিভাগ (ডেফরা), ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি এবং স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ বিভাগে একই সময়ে চাকরি করেন।


জুরিবোর্ডকে জানানো হয়, ২০২৩ সালে ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সিতে কর্মরত থাকার সময় অসুস্থতাজনিত ছুটির বিষয়ে কথা বলতে তার ব্যবস্থাপক আলিশা অ্যাডামস একটি ভিডিও কলের আয়োজন করেন। আলিশার দাবি, অসুস্থ সাজার জন্য কাশিম মুখে সাদা মেকআপ করেছিলেন। কিন্তু মিটিং চলার সময় তার কপালের মেকআপ উঠে আসল ত্বক বেরিয়ে পড়তে শুরু করে। অভিযোগ রয়েছে, ওই ভিডিও কলের সময়ও তিনি পাঁচটি পূর্ণকালীন চাকরির বেতন পাচ্ছিলেন।


প্রসিকিউশনের পক্ষে লুসি অরগ্যান আদালতকে বলেন, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই টিমস মিটিংয়ে লাইন ম্যানেজারের কাছে অসুস্থ সাজার জন্য বিবাদী মুখে মেকআপ মেখেছিলেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় হাস্যকর এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, নিজের প্রতারণা চালিয়ে নিতে বিবাদী ঠিক কতদূর যেতে প্রস্তুত ছিলেন।’


প্রসিকিউটরদের মতে, কোভিড মহামারির সময় শুরু হওয়া বাসা থেকে কাজ করার সুযোগকে কাজে লাগিয়েছিলেন কাশিম। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা করার কথা বলে তিনি কর্মস্থলে বাসা থেকে কাজের অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু একপর্যায়ে কাজের চাপ সামলাতে না পারায় তার কর্মদক্ষতা কমতে থাকে। মিশ্র উদ্বেগ ও বিষণ্ণতার কারণ দেখিয়ে কয়েকটি চাকরি থেকে তিনি ছুটিও নিয়েছিলেন, তবে সব কর্মস্থলে সেই অসুস্থতার সনদ জমা দেননি।


ন্যাশনাল ফ্রড ইনিশিয়েটিভ বিষয়টি ডেফরাকে জানালে এই জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসে। এ মামলার বিচারকাজ এখনো চলছে।


সূত্র: বিবিসি


ডিবিসি/ এসভিএন

আরও পড়ুন