ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

সারা বাংলা

পূজা ঘিরে রটনা ও আতঙ্ক সৃষ্টির পায়তারা চলছে, সতর্ক থাকুন: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

পূজা ঘিরে রটনা ও আতঙ্ক সৃষ্টির পায়তারা চলছে, সতর্ক থাকুন: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

সারা বাংলা

পূজা ঘিরে রটনা ও আতঙ্ক সৃষ্টির পায়তারা চলছে, সতর্ক থাকুন: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বাসস

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে নানা ধরনের রটনা, গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা বা পায়তারা চলছে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এ ধরনের কোনো অপচেষ্টা যাতে সফল হতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

 

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার কোন্ডা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও শিব মন্দির ও দুর্গা মন্দিরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত উপহার ও অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘একটি স্বার্থান্বেষী মহল দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের গুজব ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। যেকোনো ধরনের উসকানি বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’ তিনি স্পষ্ট করেন যে, শান্তি ও সম্প্রীতি বিনষ্টের যেকোনো চক্রান্ত দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহত করা হবে।

 

পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরাও মাঠে থাকবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও যেকোনো সহায়তায় দলীয় নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক পাহারা ও সহযোগিতা দেবে।

 

তিনি উল্লেখ করেন, দুর্গাপূজায় শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকার ও প্রধানমন্ত্রী পূজার সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন উদযাপনে বিশেষ নির্দেশনা এবং অনুদান বরাদ্দ দিয়েছেন। সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলোতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবেও নানা সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

 

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা শেষে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও স্থানীয় মন্দিরগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

ডিবিসি/এমএনকে

আরও পড়ুন