ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

আন্তর্জাতিক, অন্যান্য

বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার শঙ্কা

বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক, অন্যান্য

বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে

যুদ্ধের প্রভাবে নৌপথে পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন, সার ও জ্বালানির বাড়তি দাম এবং এল নিনোর কারণে খরার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। চলতি বছরের শেষ দিক থেকে ২০২৭ সালজুড়েও এ চাপ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ায় চালের দাম ইতোমধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ভারতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় চিনির দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। অন্যদিকে, মিসরে ভর্তুকিবিহীন রুটির দাম জুলাইয়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। খাদ্যপণ্যের এ মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর দরিদ্র জনগোষ্ঠী।


বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ১৫০টি দেশের মধ্যে ২২ শতাংশ দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ছাড়িয়ে গেছে। আগের প্রান্তিকে এ হার ছিল ১৪ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) খাদ্যমূল্য সূচক বেড়ে ১৩৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়, যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ।


কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে শস্য পরিবহনে হামলা, লোহিত সাগরে নিরাপত্তাঝুঁকি এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি ও সার সরবরাহে বিঘ্ন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ২০২৬ সালে গমের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এশিয়ার প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলোতে চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ।


এদিকে, বিশ্ববাজারে শস্যের মজুত কমে আসা এবং আমদানিকারক দেশগুলোর নতুন করে ক্রয় বাড়ানোর সম্ভাবনায় খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নও ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।


সূত্র: রয়টার্স


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন