ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

বাংলাদেশ, সারা বাংলা

পাবনায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষকের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এবার মাটি লুট

পাবনায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষকের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এবার মাটি লুট

বাংলাদেশ, সারা বাংলা

পাবনায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষকের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এবার মাটি লুট

‎স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা

ডিবিসি নিউজ

৩ ঘন্টা আগে

পাবনার দোগাছি কুলুনিয়া গ্রামে ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি মোস্তফা কামালের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এবার ওই বাড়ির মাটি লুট করে নিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। বাড়িঘর ভাঙচুরের পর মাটি পর্যন্ত তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু কলিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী অভিযুক্ত মোস্তফা কামালের বাড়িতে ভাঙচুর শুরু করেন। ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা ও হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুরের একপর্যায়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বাড়ির দোতলা ভবন। এরপর বাড়ির ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মাটিও তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায় বিক্ষুব্ধ লোকজনকে।


গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিজ এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় শিশু কামরুন্নাহার কলি। পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজের পর পুলিশের কাছে সহযোগিতা চেয়েও তারা যথাযথ সাড়া পাননি। পরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদের একপর্যায়ে নিখোঁজের সপ্তম দিনে, ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোস্তফা কামাল ও ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে। নিহত শিশুর পরিবারের অভিযোগ, শুরুতে পুলিশ তৎপর হলে হয়তো শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।


শিশু হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে শুরু হওয়া ক্ষোভ অভিযুক্তের বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং পরে মাটি লুটের ঘটনায় নতুন মাত্রা পেয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দাবি স্থানীয়দের।


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন