জাতীয়
এনআইডি সংশোধনের ৬৫ লাখের বেশি আবেদন সমাধান করল নির্বাচন কমিশন

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারা দেশ থেকে জমা পড়া ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২টি সংশোধন আবেদনের মধ্যে ইতিমধ্যে ৬৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২টি নিষ্পত্তি করেছে সংস্থাটি। তবে বিপুলসংখ্যক আবেদন সমাধানের পরও এখনো ১ লাখ ২৮ হাজার ১০টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
অন্যদিকে, তথ্যে বড় ধরনের ভুল ও অসংগতি থাকায় ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৭টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, ২০২৪ সাল পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনের কাজ শেষ করে ২০২৫ সালের আবেদন নিষ্পত্তির কাজও প্রায় শেষ করা হয়েছে। তবে প্রতি মাসে গড়ে ৮০ থেকে ৯০ হাজার নতুন আবেদন জমা পড়ার কারণে কিছু আবেদন অপেক্ষমাণ থাকছে।
বর্তমানে অপেক্ষমাণ আবেদনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে জটিল 'ঘ' ক্যাটাগরির প্রায় ৬৯ হাজার ২৫২টি আবেদন, যার মধ্যে ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলে চাপ তুলনামূলক বেশি। সংশোধনের কাজে গতি আনতে মাঠপর্যায়ে উপজেলা ও জেলা কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে অনলাইনে যাচাইযোগ্য শিক্ষাসনদের ওপর ভিত্তি করে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলো 'ক' ক্যাটাগরিতে রেখে দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এনআইডি নিবন্ধন অনুবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বয়স বা তথ্যে অযৌক্তিক অসংগতি-যেমন বাবা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধান ১০ বছর দেখানো হলে বা জালিয়াতির চেষ্টা করা হলে সেই আবেদনগুলো সরাসরি বাতিল করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শুরুতে নির্ভুল ভোটার নিবন্ধন নিশ্চিত করা, যাতে পরবর্তীতে আর সংশোধনের প্রয়োজন না হয়।
ডিবিসি/এমএনকে