ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

বাংলাদেশ, সারা বাংলা

বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করে বিক্রি, ৮৮ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪

বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করে বিক্রি, ৮৮ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪

বাংলাদেশ, সারা বাংলা

বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করে বিক্রি, ৮৮ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ৪

বগুড়া প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

২ ঘন্টা আগে

স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০২ ভরি ওজনের ১০টি বার ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় জড়িত ৪ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বগুড়া ডিবি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণ বিক্রির ৮৮ লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলো- দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাদিকুল ইসলাম, একই এলাকার মৃত আতোয়ার আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ভিমপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম ও একই জেলার বালিঘাটা এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে আসাদুজ্জামান শাহীদ।


ব্রিফিংয়ে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, দুর্গাপূজার আগে স্বর্ণালংকারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বগুড়ার গালাপট্টি এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম পুরাতন স্বর্ণ গলিয়ে ১০ ভরি ২ আনা ওজনের একটি করে বার তৈরি করেন। এরপর পাশের জেলার জয়পুরহাটের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী গত ৫ অক্টোবর তার খালাতো ভাই বাপ্পি হোসেনের মাধ্যমে স্বর্ণের ১০টি বার পাঠিয়ে দেন। বাপ্পি হোসেনকে বহনকারী বাসটি ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলী এলাকায় পৌঁছার পর অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন দুষ্কৃতিকারী পুলিশ পরিচয়ে বাসটি থামায়। এরপর বাপ্পি হোসেনকে জোরপূর্বক বাস থেকে নামিয়ে হাতুড়ি দিয়ে মারপিট করে তার কাছে থাকা ২৪ ক্যারেটের ১০টি স্বর্ণের বার এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে আহত অবস্থায় শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়াহাট মণ্ডলপাড়ার একটি ফাঁকা জমিতে ফেলে রেখে চলে যায়।


সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ওই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর ডিবি পুলিশ অভিযানে নামে। প্রথমে তারা পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া থেকে সাদিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, অপর আসামি আলমগীর হোসেনকে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আলমগীরের বাড়ি থেকে স্বর্ণ বিক্রির ২৯ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। পরে ওই দুই আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রবিউল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান শাহীদকে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য মতে প্রথম আসামি সাদিকুলের বসতবাড়ি থেকে স্বর্ণ বিক্রির ১৮ লাখ টাকা এবং চতুর্থ আসামি আসাদুজ্জামান শাহীদের গরুর ফার্মের কার্যালয় থেকে আরও ৪১ লাখ টাকাসহ মোট ৮৮ লাখ টাকা জব্দ করা হয়। সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানানো হয় যে, গ্রেপ্তার ৪ আসামির মধ্যে আলমগীরের বিরুদ্ধে মাদক, বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং মারামারিসহ ১০টি মামলা এবং রবিউলের বিরুদ্ধে মাদকের ৩টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আসামিদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ জনকে রিমান্ডে নেয়া হবে।


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন