আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের

ধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম প্রায় এক তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পেয়ে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পথে রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
এদিকে বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ ‘পণ্য বাজার আউটলুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান যুদ্ধের ফলে তেলের মজুদ হ্রাস পেয়েছে এবং জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ফলে চলতি বছর তেলের দাম গত বছরের ৬৯ ডলার থেকে বেড়ে গড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯১ ডলারে দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মার্চ মাস থেকে অপরিশোধিত তেলের তুলনায় প্রধান তেল পণ্যগুলোর- বিশেষ করে ডিজেল এবং জেট ফুয়েলের পাইকারি দাম অনেক বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাবই এর প্রধান কারণ।
বিশ্বব্যাংক আরও সতর্ক করে বলেছে, জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে এবং এটি বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শস্যের চালান ব্যাহত হওয়া এবং চরম আবহাওয়ার কারণে চলতি বছর খাদ্যপণ্যের দাম প্রায় দশ শতাংশ এবং আগামী বছর আরও ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে মূল্যবান ধাতুর প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বাড়ায় এগুলোর দাম প্রায় দুই পঞ্চম অংশ বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়, ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ ও প্রভাব মোকাবিলায় ২৫টি দেশকে ৮.৭ বিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ডিবিসি/এসডব্লিউএন