বাণিজ্য, কৃষি
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুঁটকির মৌসুম শুরু

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনের দুবলার চরে শুরু হচ্ছে শুঁটকি উৎপাদনের মৌসুম। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) থেকে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সাগর থেকে মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত থাকবেন উপকূলের হাজারো জেলে।
এ জন্য বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে দুবলার চরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন তাঁরা। মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, সাতক্ষীরা, বরগুনা ও পাথরঘাটাসহ বিভিন্ন এলাকার জেলেরা মোংলার পশুর নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন দুবলার চরে যাচ্ছেন।
মৌসুমজুড়ে তাঁরা আলোরকোল, দুবলা অফিস কেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করবেন। সেখানে থাকার ঘর, শুঁটকি সংরক্ষণের ঘর ও মাছ শুকানোর মাচা তৈরি করবেন জেলেরা। তবে এসব স্থাপনা নির্মাণে বনের কোনো গাছপালা ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
জেলেরা জানান, প্রায় পাঁচ মাসের এই মৌসুমের আয় দিয়ে তাঁদের পরিবারের সারা বছরের খরচ মেটাতে হয়। তাই বনদস্যুর আতঙ্কসহ নানা ঝুঁকি মাথায় নিয়েই মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির কাজে যাচ্ছেন তাঁরা। নির্বিঘ্নে কাজ করতে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।
বন বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে শুঁটকি খাত থেকে ৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গত বছরের তুলনায় রাজস্ব আয় বাড়তে পারে।
জেলেদের নিরাপত্তা এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ প্রতিরোধে নজরদারি রয়েছে বলেও জানিয়েছে বন বিভাগ। বনদস্যুদের তৎপরতা ঠেকানোর পাশাপাশি সাগরে বিষ প্রয়োগসহ অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে বনরক্ষী, এসআরবি ও কোস্ট গার্ড কাজ করছে।
ডিবিসি/এমএনকে