ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

সারা বাংলা

নওগাঁয় সন্তান মারা যাওয়ার পরও শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

নওগাঁয় সন্তান মারা যাওয়ার পরও শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

সারা বাংলা

নওগাঁয় সন্তান মারা যাওয়ার পরও শিক্ষা ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

নওগাঁ প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

শুক্রবার ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৫২:১৩ অপরাহ্ন

নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রতিবন্ধী সন্তানকে বিদ্যালয়ে ভর্তি না করিয়েও শিক্ষা ভাতা উত্তোলন এবং সন্তান মারা যাওয়ার পরও তার বিপরীতে ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। তবে ভাতা উত্তোলনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা বিভাগ।

 

অভিযুক্ত শিক্ষিকা মোছা. জুলেখা খাতুন মহাদেবপুর উপজেলার দাউল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। তাঁর বিরুদ্ধে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছা. জামালুল ফেরদৌস।

 

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রায় তিন বছর আগে মারা যাওয়া প্রতিবন্ধী সন্তানের নামে অনিয়ম করে শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা। এমনকি সংশ্লিষ্ট সন্তানকে কোনো বিদ্যালয়ে ভর্তি না করিয়েই নিয়মবহির্ভূতভাবে এই অর্থ তোলা হচ্ছিল।

 

শিক্ষিকার বড় ছেলে মারা গেছেন এবং বর্তমানে তাঁর ছোট ছেলে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। প্রধান শিক্ষিকার দাবি, ২০২৬ সালের জুলাই মাসের বেতন-ভাতার বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা যায়, দুই সন্তানের বিপরীতে এক হাজার টাকা শিক্ষা ভাতা উত্তোলন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত উত্তোলন করা অর্থ সমন্বয় এবং অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

 

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষিকা মোছা. জুলেখা খাতুন জানান, ২০২৩ সালে তাঁর সন্তান মারা যায়। এরপর সন্তানের শিক্ষা ভাতা বন্ধের জন্য তিনি মহাদেবপুর অ্যাকাউন্টস অফিসে লিখিত আবেদন নিয়ে গিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে বলে তাঁকে ফিরিয়ে দেন। ভাতা উত্তোলনের ক্ষেত্রে তিনি ইচ্ছাকৃত কোনো অনিয়ম করেননি বলে দাবি করেন।

 

অন্যদিকে মহাদেবপুর উপজেলা হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান শিক্ষিকার এই দাবিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু রাইহান জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন