ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

আন্তর্জাতিক, আরব

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৭৪ সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৭৪ সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক, আরব

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৭৪ সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ২৪টি সামরিক স্থাপনার ২৭৪টি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব স্থাপনা মেরামত ও পুনর্নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ১৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যাটেলাইট চিত্র ও মার্কিন কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ক্ষয়ক্ষতির এই হিসাব করা হয়েছে। পেন্টাগনের প্রাথমিক হিসাবে সামরিক স্থাপনাগুলোর ক্ষতি অন্তত ৫ বিলিয়ন ডলার। অন্য একটি মূল্যায়নে তা ১৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) হিসাব অনুযায়ী, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পুনর্নির্মাণেই ব্যয় হবে ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি।


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের পাল্টা অভিযান শুরু হয়। প্রথম দুই সপ্তাহেই কুয়েতসহ ১৩টি মার্কিন সামরিক স্থাপনার অন্তত ১১৯টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর একটি বাহরাইনের নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর। হামলার পর সেখান থেকে অধিকাংশ সদস্যকে সরিয়ে নিতে হয়।


এ ছাড়া রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও যোগাযোগ অবকাঠামোর ১৫টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধে ২০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত এবং ৪০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।


৭ জুলাই যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা স্থাপনাগুলোতে হামলা আরও জোরদার করে ইরান। ১৭ জুলাই জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অন্তত ১৯টি ভবন।


পরিস্থিতির কারণে কুয়েতের ক্যাম্প বুয়েরিং ও ক্যাম্প আরিফজান থেকে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, সামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ না করায় পেন্টাগনের সমালোচনা করেছেন আইনপ্রণেতারা।


সূত্র: তাসনিম নিউজ


ডিবিসি/এসএফএল

আরও পড়ুন