ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

বাংলাদেশ, জাতীয়

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ, জাতীয়

পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন-রপ্তানি সচল রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাসস

ডিবিসি নিউজ

১ ঘন্টা আগে

তৈরি পোশাক শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষা, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই সঙ্গে পোশাকশিল্পে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন রাখার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। রবিবার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তৈরি পোশাকশিল্পের পরিস্থিতি পর্যালোচনা-সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন। মজুরি বোর্ডকে পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি শ্রম মন্ত্রণালয়কে শ্রমিকদের স্বার্থ নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।’

 

তিনি জানান, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় থাকলেও সরকার আগেই মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর কাছ থেকে প্রতিনিধির নাম পেতে কিছুটা বিলম্ব হলেও, নাম পাওয়ার পর আজ সকালে মজুরি বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


সালাহউদ্দিন আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান রয়েছে। সরকার চায় এ শিল্প আরও এগিয়ে যাক, রপ্তানি খাত সমৃদ্ধ হোক এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাক।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকার শান্তি, শৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও অগ্রগতি চায়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের উন্নয়ন এবং রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বাড়ানো সরকারের লক্ষ্য।’


মজুরি নির্ধারণের জন্য আলোচনার পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও সহিংস আন্দোলনের কোনো প্রয়োজন ছিল না বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আন্দোলনের নামে পুলিশের গাড়িতে আগুন, কারখানায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, যারা সহিংসতায় জড়িত হবে বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। নিরীহ পোশাক শ্রমিকদের ব্যবহার করে সীমান্তের ওপার থেকে কেউ কেউ ইন্ধন জোগাচ্ছে বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং পোশাকশিল্পের উৎপাদন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে, যা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের বন্ধ কারখানাগুলো চালুর আহ্বান জানিয়ে বলেন, মালিক ও শ্রমিকদের পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে হবে।


বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।


ডিবিসি/এসভিএন

আরও পড়ুন