আন্তর্জাতিক
হোয়াইট হাউসের কাছে অস্ত্রসহ যুবক আটক, ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি এবং একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অভিযোগে হোয়াইট হাউসের কাছ থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির সিক্রেট সার্ভিস।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)হোয়াইট হাউসের পাশ থেকে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রনি ইয়র্ড্রিক্স গুয়ানিপা ক্রিনোস। তিনি ভেনেজুয়েলার নাগরিক। ডিএইচএস জানিয়েছে, ২০২৪ সালে তিনি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হোয়াইট হাউসের পাশে একটি গাড়িতে ওই ব্যক্তিকে সন্দেহজনক অবস্থায় লক্ষ্য করেন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি দাবি করেন, মাথায় একধরনের আওয়াজ বা আদেশ শুনে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে এসেছেন।
তদন্তে নেমে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানতে পারেন, অভিযুক্তের ব্যবহৃত গাড়িটি চুরি করা হয়েছিল। তল্লাশি চালিয়ে গাড়িটি থেকে একটি রাইফেল, দুটি পিস্তল এবং কয়েক ডজন গুলি জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রাখা, অননুমোদিতভাবে গাড়ি ব্যবহার এবং চোরাই সম্পদ রাখার মতো একাধিক ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি ইউএস মার্শালস সার্ভিসের হেফাজতে রয়েছেন।
ইউএস সিক্রেট সার্ভিসের পরিচালক শন কুরান এ বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারণেই তাৎক্ষণিক এই বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ এবং হোয়াইট হাউসকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র ব্যক্তিদের উপস্থিতির প্রবণতা কতটা বেড়েছে, এ ঘটনা তারই প্রমাণ।’
সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাজনিত ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। প্রায়শই এই ধরনের ব্যক্তিরা হোয়াইট হাউস বা প্রেসিডেন্টের প্রতীকী অবস্থানকে কেন্দ্র করে আকৃষ্ট হন।
এর আগে গত মে মাসেও হোয়াইট হাউসের একটি নিরাপত্তা তল্লাশিচৌকিতে গুলির ঘটনা ঘটিয়েছিলেন মানসিক সমস্যায় ভোগা এক ব্যক্তি, যিনি পরে সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে নিহত হন।
সূত্র: সিএনএন