ডিবিসি নিউজdbcnews.tv

সারা বাংলা

ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখায়

৭২ ঘণ্টার মধ্যে জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণের দাবি ছাত্রদলের

৭২ ঘণ্টার মধ্যে জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণের দাবি ছাত্রদলের
ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখায়

৭২ ঘণ্টার মধ্যে জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণের দাবি ছাত্রদলের

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

ডিবিসি নিউজ

৬ ঘন্টা আগে

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। একই সঙ্গে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসককে অপসারণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলামের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানের মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ছবি রাখা হয়নি। এ ছাড়া এক বক্তা বারবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করলেও জেলা প্রশাসক নীরব ভূমিকা পালন করেন। এসব ঘটনায় জেলা ছাত্রদল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসককে অপসারণের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় দাবি আদায়ে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

 

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় দেওয়া এ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম। মুঠোফোনে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ প্রেস বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা জেলা প্রশাসকের অপসারণ চান এবং এ দাবির জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

 

এদিকে জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অনুষ্ঠানের ব্যানারটি জেলা প্রশাসক নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন। তবে তাঁরা আগে ব্যানার সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। অনুষ্ঠানে এসে ব্যানারটি টাঙানো অবস্থায় দেখতে পান।

 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রোববার সকালে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার সরকারি মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

উল্লেখ্য, শনিবার সকালে জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভার মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকাকে কেন্দ্র করে প্রথমে অসন্তোষ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযুক্ত করে অনুষ্ঠান শুরু করা হলেও এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

 

ডিবিসি/আরএসএল

আরও পড়ুন